তালতলী উপজেলার ০১ নং পচাকোরালিয়া ইউনিয়নে গত ২২ ই মার্চ রোজ শনিবার অসহয়দের মাঝে ১০ কেজি চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও সেখানে ট্যাগ অফিসার উপস্থিত না থাকার কারণে অনেক অসহয়দের মাঝে ৮/৯ কেজি করে বিতরণের প্রমাণ মিলেছছে।
ভুক্তভোগীরা যানান সরকার আমাদের ১০ চাল দিবে বলে সে যায়গায় ৮/৯ কেজি চাল পাইছি কিন্ত ট্যাগ অফিসার বা চেয়ারম্যান যদি উপস্থিত থাকতো তাহলে মনে হয় এরকম হতো না।
এ বিষয়ে ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ আলমগীর বলেন আমি ৩৬ টি নামে চাল দেয়ার অনুমতি পাই বিদয় আমার নামের চাল আমি ছারিয়ে আমার বাড়ি আনছি এখন আমি বাড়ি বসে বিতরন করতেছি। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন তাকে তো বাড়িতে নিয়ে চাল বিলি করার অনুমতি কেই দায় নি আমি আপনাদের কাছে শুনতে পাইলাম আমি ঘটনা সততা পেলে অবশ্যই আইন আনুগ ব্যবস্থা নিব।
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসাম্মাৎ সুমি বলেন চাল বিতরণের অনুমতি পাইছি কিন্তু আমার ভাগের চাল আমি বাড়িতে বসে বিতরনের জন্য অনুমতি পাইনি আমি নয় বস্তা চাল আমার বাড়িতে আনছি। কেউ এখনো নিতে কেউ আসেনি তাই বিলি করিনি।
এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ বনি আমিন জানান প্রতি ইউপি সদস্য আমার কাছে নামের লিষ্ট দিয়ে তার ভাগের চাল তার কাছে বুজিয়ে দিয়েছি কিন্ত চাল যে বাড়ি নিয়া গেছে তা আমি যানিনা।
এ বিষয়ে দায়িত্ব রত ট্যাগ অফিসার মোহাম্মদ বনি আমিনের কাছে গণমাধ্যম কর্মীরা তার দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে সে বলে এতে অনেক প্যারা আছে একজন একজন করে দেয়া সম্ভব নয় আপনাদের যদি সহজ মনে হয় তাহলে আপনারা এসে বিতরণ করেন।
চাল বিলি দায়িত্ব রত ইউপি সদস্য জানান নামের চাল বিলি করনের সময় ট্যাগ অফিসার অনুপুস্হিত ছিল সে কোথায় ছিল সেটাও আমি বলতে পারিনা। গণমাধ্যম কর্মীরা প্রতিবস্তায় কত কেজি চাল আছে জানতে চাইলে সে বলে ৪২/৪৩ হাইয়েস্ট ৪৫ কেজি চাল হয় সেটাই সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে ।
এ বিষয়ে ০১নং পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান আমি সকালে কিছু সময় উপস্থিত ছিলাম আমি থাকাকালীন এ ধরনের সমস্যা হয়নি যাই হোক তবুও আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম সত্যতা প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ উম্মে সালমা বলেন আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি তবুও আপনাদের মাধ্যমে যানতে পারলাম আমি সরোজমিনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।

