বরগুনার তালতলী উপজেলার ৪ নং শাড়িকখালী ইউনিয়নের চাউলাপাড়া গ্রামের মো: বাহাদুর তালুকদার এর উপর শারীরিক নির্যাতন ও পরিকল্পিত হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে ১৯ শে জুলাই ২০২৫ তারিখ শনিবার বেলা তিন ঘটিকায় একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পলিত হয়।
উক্ত মানববন্ধনে অংশ নেয় শারিকখালি ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মী সহ নির্যাতনের শিকার বাহাদুর তালুকদার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও সচেতন নাগরিক। বাহাদুর তালুকদার বলেন গত ১৩ জুন ২০২৫ তারিখ রবিবার বেলা ২ টার সময় আমি কলাপাড়া থেকে আমার নিজ বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। কিন্তু আমার নিজ গ্রাম চাউলাপাড়া আসার সাথে সাথেই মোঃ ছগির হাওলাদার উপজেলা বিএনপি যুগ্ন সম্পাদক, তালতলী, এর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল আমার কাছে আসে আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা অতর্কিত হামলা চালায়। এবং তারা আমাকে বলে তাদেরকে দুই লক্ষ টাকা দিতে হবে এবং আমাদের নিজ ভোগ দখলীয় জমিটা ছেড়ে দিতে হবে। তখন আমি সহ্য করতে না পেরে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে এবং তারা আমাকে শাষিয়ে চলে যায়।
334.333.332.330.533 মোট পাঁচটি খতিয়ানে 77একর 77 জমির ভিতর থেকে 334.332.333.330 নং খতিয়ানে আমাদের 17 একর জমি আমাদের এই জমতে 8 টি বসত বাড়ী আছে বাকী জমি আমরা চাষাবাদ করি এবং এই জমি নিয়া আমার উপারে হামলা করে
সমাজসেবক বশার মুন্সি বলেন আমরা এমন স্বাধীন চাই নি যে নিজ দখলিও জমি চাষাবাদ করতে উপজেলা বিএনপি নেতা ছগির হাওলাদার কে আমন্ত্রণ করে চাঁদা দিতে হবে। আমরা তো বংশগত ভাবে বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার কে ভালবাসি স্বার্থের জন্য নয়। তাহলে তাকে কেন চাঁদা দিব এই প্রশ্ন বিএনপির পরিবারের কাছে।
বিএনপির নেতা মোঃ জসিম মুন্সি বলেন ১৭ বছরে অনেক বার জেল খেটেছি অনেক খাল সাতার কেটেছি পরিবার কে ভালো সময় দিতে পারিনি শুধু আমি একজন বিএনপির কর্মী বলে। কিছু কুলাঙ্গার বিএনপির নামধারি নিজের স্বার্থের জন্য মামলা হামলা চাঁদাবাজি করে দলকে হেও প্রতিপন্ন করে আসছে। তাই আমি একজন বিএনপির কর্মী হয়ে জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদেরকে বিষয় টি দেখার জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছি।
সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ হাবিব বলেন ১৭ বছর অনেক চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি হতে দেখেছি সেগুলো আর সহ্য করব না আমাদের এলাকায় যে চাঁদার দাবিতে আসবে সবাই মিলে তাকে প্রতিহত করব।
এজন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মী ও সচেতন নাগরীক আজকের মানববন্ধনের আয়োজন করেন। তালতলী উপজেলা প্রশাসনের কাছে তাদের প্রত্যাশা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা। এটাই তাদের একমাত্র দাবি।
