বরগুনার তালতলীতে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকলেও জোর করে খেয়া ঘাটের সড়ক নিজ বাড়ির উপর দিয়ে ব্যাক্তিগত ভাবে নির্মাণের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সুশান্ত কুমার কীর্তনীয়া ও প্রশান্ত কুমার কীর্তনীয়া গং এর বিরুদ্ধে।
উপজেলার ০৩ নং কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বেহালা গ্রামের অসিম অধিকারী ,রবিন্দ্র অধিকারী বিধান অধিকারী, মোঃ জামাল মুন্শি রাহিমা বেগম দৈনিক ভোরের আলোকে এ অভিযোগ জানান।
অভিযোগে অসিম অধিকারী বলেন আমাদের বাড়ির উপর দিয়ে প্রায় ৬০/৭০ বছর যাবত রহমানের খেয়া চলমান ছিল কিন্ত দুঃখের বিষয় হলো এখন খেয়া ঘাটের নাম দিয়া পাশের কিছু দুষ্কৃতকারী চক্র লোকেরা ব্যাক্তিগত ভাবে করার পায়তারা চালাচ্ছে।

বিধান অধিকারী বলেন আমি জন্মের পর আজ শুনমাল সুশান্ত কীর্তনীয়া বাড়ির উপর দিয়া রহমানের খেয়াঘাট ছিল আর কোন দিন শুনেনি এবং দেখেনি ওর বাড়ির উপর দিয়া মানুষ চলাচল করে।
অন্যদিকে অভিযোগকারী জামাল মুন্শি বলেন আমরা মুসলমান হিসেবে গর্ব করে বলতে পারি আমরা ছোট থেকে বেহালার হিন্দু ভাইদের সাথে মিলেমিশে চলা ফেরা করে আসছি তার ভিতরে কোন দিন সুশান্ত কীর্তনীয়া বাড়ির উপর দিয়া রহমানের খেয়া পার হইনি। কিন্ত আমার মতে খেয়া ঘাটের নামে যদি কোন অনুদান আসে সেটা অসিম অধিকার বাড়ির মধ্য দিয়া খালপাড় পর্যন্ত হওয়া উচিত সেটা আমাদের দাবি।
৩নং কড়ইবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইব্রাহিম শিকদার পনু বলেন আমার জানামতে সুশান্ত কুমার কীর্তনীয়া বাড়ির উপর দিয়া কোন খেয়া ঘাটের চলাচল রাস্তা ছিল না।
০৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পিযুষ কান্তি হাওলাদার শিশির বলেন আমি যানি অধিকার বাড়ির উপর দিয়ে খেয়ার মানুষ চলাচল করতো কিন্ত এখন খেয়ার ঘাটের নামের রাস্তা সুশান্ত কীর্তনীয়া বাড়ির উপরে হবে আমি ওয়াড সদস্য হিসাবে সিপিসি বানাইছে এর বেশি জানিনা।
স্থানীয়দের মতে জানাযায়, যেখানে মানুষ যাতায়াত করার রাস্তাই নেই সেখানে রাস্তা নির্মাণ করে কি হবে। আমরা তো অধিকার বাড়ির উপর দিয়ে প্রায় ৬০/৭০ বছর যাবত চলাচল করছি । সেটা না দিয়ে এখন অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করে এর চেয়ে যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থাকে সেটা করা হোক ।
এবিষয়ে অভিযুক্ত সুশান্ত কীর্তনীয়া বলেন, আমাদের বাড়ির উপর দিয়ে ও মানুষ চলাচল করে আর অধিকার বাড়ি দিয়ে মানুষ চলাচল করে কিন্ত আমরা ইউ এন ও মহদয়ের কাছে অনেক রিকোয়েস্ট করে কাজটা আনছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
