সাহিত্য

মানবাধিকার: নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য

মো. নজরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ


সাম্যবাদী সুফী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার সাম্যবাদী কাব্যগন্থ্যে বলেন- ইসলাম বলে,সকলের তরে মোরা সবাই সুখ দু:খ সমভাগ করে নেব সকলে ভাই নাই অধিকার সঞ্চয়ের। কারো আঁখি জলে,কারো ঘরে ফিরে জ্বালিবে দীপ? দুজনার হবে বুলন্দ নসিব, লাখে লাখে হব বদনসিব, এ নহে বিধান ইসলামের।


ভূমিকা: সংক্ষেপে মানবাধিকার বলতে বুঝি,নূন্যতম মৌলিক অধিকারগুলোর সমন্বয়ে সুন্দর,সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বেঁেচ থাকার যে অধিকার তাই হলো মানবাধিকার। মানুষ স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে সুন্দর ও সাবলীলভাবে নিজ জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলবে এটাই স্বাভাবিক এবং তার জন্মগতঅধিকার। এককথায় বলা যায় যে, আমাদের এ জগতে দেশে দেশে ও সময়ের বির্বতনে মানুষের যে মৌলিক ও সার্বজনিন অধিকার স্বীকৃতি পেয়ে আসছে তাই হলো মানবাধিকার।

একটি দেশে বিভিন্ন জাতি -ধর্ম-বর্ণ ও গোত্রের বাস থাকতে পারে। উঁচু নিচু যাই হোক না কেন সকল মানুষেরই তার নিজ দেশের প্রতি একটি জোড়ালো অধিকার থাকে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতে দেখা যায় যে, ক্রমহ্্রাসমান হারে নাগরিকের মোৗলিক মানবাধিকার ভুলন্ঠিত হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে যে মানুষের জন্য সকল প্রকার মানবাধিকার সেই মানুষকেই নাগরিক বললেও তার সাথে অনেক কথা জরিয়ে আছে।

’নাগরিক’ কথাটির অর্থ অতি ব্যাপক। সাধারনভাবে নাগরিক বলতে কোন নগরের অধিবাসীকে বোঝায়। কিন্তু বর্তমানে বৃহত্তর অর্থে কোন রাষ্ট্রের অধিবাসীকে নাগরিক বলা হয়।গ্রিসের ক্ষুদ্র নগর তথা রাষ্ট্রের অধিবাসী সে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রথম যে স্বীকৃতি লাভ করেছিলো সেটি বহুকালের বিচিত্র পরিবর্তন ও বিবর্তনের মাধ্যমে এই সময়কালে বৃহত্তর পরিধিতিতে পৌছেছে। তাই আজকের দিনে নাগরিক বিশেষ কোন নগরের অধিবাসী নয়; শহর,বন্দর,গ্রাম গঞ্জে যে যেখানেই থাকুক না কেন সে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে পরিচিত। বিশ্বায়নের যুগে আমরা আরো একধাপ এগিয়ে বলতে পারি যে আমরা গ্লোবাল ভিলেজের বাসিন্দা। ইন্টারনেট কান্টেটিভিটি ও গুগল জগতে সারাজগতই আমার বাড়ী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button