বরগুনার তালতলী উপজেলার ০২ ছোটবগীর ইউনিয়নের জিনবুনিয়ায় সরকারি রাস্তা কেটে মাছ ধরার পয়েং করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালি ১। মোজাম্মেল ডাঃ ২। রিয়াজ মৃধা ৩। চানু মোল্লা ৪। নিরু হাওলাদারের গং এর বিরুদ্ধে।
উপজেলার ০২নং ছোটবগী ইউনিয়নের জিনবুনিয়ার স্হানীয় বাসিন্ধা আঃ আজিজ মাস্টার, মোঃ শানু তালুকদার, বাবুল তালুকদার, স্কুল পড়ুয়া জান্নাতুল নেহা, মোসাঃ ছামিয়া, দৈনিক বেঙ্গল টাইমস এ অভিযোগ জানান।
অভিযোগে শানু তালুকদার বলেন আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে প্রায় ১০/১৫ বছর যাবত মানুষের চলাচল মেইন সড়ক থেকে আমাদের বাড়ি পর্যন্ত মোটরসাইকেল বা অটোরিকশায় চলা ফেরা করে আসছি। কিন্তু দুই থেকে তিন দিন আগে স্থানীয় প্রভাবশালি কিছু লোক মিলে সরকারি রাস্তা কেটে চলাচলের পথ বিচ্ছিন্ন করে দায় যাতে করে কচিকাচা ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে ও অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

স্কুল পড়ুয়া রাইসার মা বলেন আমার মেয়ে ছোটবগী কমডেকা সরকারি প্রাঃবিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী গত কাল স্কুলে যাওয়ার সময় সাঁকো থেকে পা পিচলে খালে পরে ব্যালন জালের ভিতরে চলে গেলে স্থানীয় লোকেরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তালতলী চিকিৎসার নেয়া হয় পরে উন্নাত চিকিৎসার জন্য আমতলী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আমার কথা যে একটি সরকারি কালভাট থাকা কালেও কেন তারা আবার রাস্তা কেটে মানুষ মারার ফাদ পাতলো আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই ।
অন্যদিকে অভিযোগকারী আঃ আজিজ মাস্টার বলেন আমরা মুসলমান হিসেবে গর্ব করে বলতে পারি মানিষের চলার রাস্তা কেটে বিচ্ছিন্ন করা কোন ধর্মে আছে জানিনা পয়েং কাটার সময় অনেক বাধা দেয়ার পরও তারা কোন বাধা মানে নায়। তাই উপজেলা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু
সমাধানের জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছি।
প্রথম শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী মোসাম্মদ সামিয়া বলেন আমি অনেক কষ্ট করে এই সাঁক্যটা পার হই একদিন আমার সহপাঠী পড়ে গেছে আমার অনেক ভয় লাগে আমি ভয়ে স্কুলে যেতে পারি না আমি যদি বড় হতাম তাহলে ইউ এন ও ম্যাম এর কাছে বলতাম।
০২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মনির গুলমতাজ বলেন আমার জানামতে ওখানে একটি সরকারি কাল ভাট আছে তারপর বিকল্প কোন পয়েং দরকার হয় না আমি তাদের কে বারন করেছি তারা আমার কথা তোয়াক্কা করেনি। আমিও শুনেছি ছোট একটি বাচ্চা সাঁকো থেকে পড়ে বেলনজালের ভিতরে গিয়েছিল আমার কোন কিছু বলার নেই আমি লজ্জিত।
ছোট বগী কমডেকা সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাভলী আক্তার বলেন আমি শুনলাম যে আমার স্কুলের একজন ছাত্রী সাঁকো থেকে পরে গিয়ে বেলন জালের ভিতরে গেছে এবং স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে কিন্ত পাশে একটা কাল ভাট থাকা কালে কেন আবার একটা পয়েং করে মানুষ মারার ফাঁদ পেতেছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
স্থানীয়দের মতে জানাযায়, যেখানে মানুষ যাতায়াত করার রাস্তা কেটে মানুষ মারার ফাদ পেতেছে।আমরা ৫০ টি পরিবার রাস্তা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছি। আমরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যাতে এই মানুষ মারার ফাদ থেকে রেহাই পাই।
এবিষয়ে অভিযুক্ত নিরু হাওলাদার বলেন, আমাদের এই কোলায় জমি বেশি তাই বাদ কাটা দরকার হয়ে পরেছে। এখন তোমরা যারা ওপারে আছো তারা একটা কাঠেরপুল দিয়ে লও।
উপজেলা নির্বাহী কর্মলকর্তা উম্মে সালমা বলেন, এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিব ।
